কোন নতুন ফিচার বানানোর সময় অনেক গুলো ফিলিংস এক সাথে আমাদের পেয়ে বসে । একদিকে যেমন নতুন  ফিচার পণ্যের বর্তমান অবস্থান কে বেগবান করবে , কাস্টমারের কাছে আরো বেশি গ্রহণ যোগ্য করে তুলবে , প্রোডাক্টকে আরো উন্নত করতে সাহায্য করবে , অন্য দিকে আবার এই ভয় যে এই ফিচার ফ্লপ করবে না তো । তাই যখন একটা মিশ্র অনুভূতি তৈরী হয় কোন প্রোডাক্ট কে ঘিরে এটা আমরা স্বাভাবিক ভাবে এই দেখি । কিন্তু নতুন ফিচার এর জন্য অনেক সময় আমাদের কিছু কঠিন অবস্থার মধ্য দিয়ে যেতে হয় ।

এই অবস্থায় আমরা যেটা করব আপনি কিভাবে  আপনার প্রডাক্ট রোড ম্যাপে কোন নতুন ফিচার কে হ্যা বা না বলবেন সে বিষয়ে খুব তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নিবেন কি করে ।

 

১। এটা কি আপানার ভিশনের জন্য সামঞ্জস্যপূর্ণঃ আপনার প্রোডাক্টের জন্য এমন কি আছে যা আপনি বিশ্বাস করেন অন্য কেউ বিশ্বাস করে না ? এমন কোন বিষয় যেটা আপনাকে অনেক বেশি এক্সাইটেড করে রেখেছে যা অন্য কেউ বুজতেও পারে নি ? আপনি এমন কোন সমস্যা সিলেক্ট করতে পেরেছেন যা অন্য কেউ খুজে পায় নি? এর সলিউশন্টা কেমন হয়েছে যেটা আপনাকে অন্য সবার সলিউশন থেকে আলাদা করেছে ? এটা সম্পূর্ন নির্ভর করে আপনার স্বপ্নের উপর ।  অনেক সময় প্রোডাক্ত ম্যানেজমেন্ট এর সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র ভিশন এর উপর ডিপেন্ড করে নেয়া  ঠিক না কারন এটা কঠিন সিদ্ধান্ত ।

অনেক সূক্ষ সিদ্দান্ত নেয়ার জন্য অনেক সময় অনেক কিছু প্রতিরোধ করতে হয় । এমন অনেক সময় আসে যখন দেখা যায় আপনার বন্ধু , কলিগ, সিইও পিছু হটছেন । এমন অনেক উদাহরণ আমরা দেখতে পাই ।

  • অ্যাপল নেট বুক শিপ করতে অনীহা প্রকাশ করেছিল যখন সেটার চাহিদা ছিল আকাশ্চুম্বী এবং পিসির জন্য একটা দারুন ডিজাইন  ।
  • বেসক্যাম্প  তাদের প্রোডাক্টের জন্য গান্ট চার্ট নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।

 

 

সুতরাং এটা একটা কঠিন সময় কঠিন সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে । কারণ এটা কোন বিজ্ঞান না । এটা একটা আর্টসের বিষয় । আপনি নিজেও জানবেন না আপনি সঠিক নাকি ভূল । তাই আপনি নিজের ভিশন এর সাথে সাদৃশ্য রেখে গাটস ফিলিং এর উপর ডিপেন্ড করুন এর পরে যদি উত্তর হয় হ্যা দেন এগিয়ে যান ।

 

২। আগামী পাঁচ বছর পর এটা ম্যাটার করবেঃ  অনেক সময় কিছু প্রশ্ন আপনার কাছে বোরিং লাগতে পারে আবার নাও লাগতে পারে । কারণ এটা একটা কঠিন সময় আপনাকে মানতেই হবে । আর কিছু কঠিন  কোয়েশ্চেনের আপনাকে সম্মুখীন হতে হবে । এই যেমন ধরুন আগামী পাচ বছর পর আপানার এই সিদ্ধান্ত ম্যাটার করবে । আপনি যে প্রডাক্ট ডেভেলপ করতে চলেছেন আগামী পাঁচ বছর পর এর অবস্থান কেমন থাকবে , কেমন হতে পারে । ধরুন আপনি একটা প্রোডাক্ট  ডিজাইন করবেন , এটাকে মার্কেট এর উপযুক্ত করে তুলবেন , পরিশ্রম করবেন । কিন্তু এর যদি কোন আউট কাম না পান তাহলে আপনার সব প্রচেষ্টাই বৃথা। খুব গুরুত্ত্বপুর্ন আপনার সময়, শ্রম । সুতরাং এই প্রোডাক্টের দীর্ঘ মেয়াদে ইম্প্যাক্ট কেমন হবে সেটা ভেবে নেয়া বুদ্ধিমানের কাজ । তাই নিজেকে এই প্রশ্ন করুন আগামী পাঁচ বছর পর কি হতে যাচ্ছে আমি যে সিদ্ধান্ত নিচ্ছি তার প্রতি ।

 

৩।সবাই কি এর থেকে বেনিফিট পাবেঃ আপানার প্রোডাক্ট বা ফিচার একচুয়ালী কত জন মানুষের উপকারে আসতে পারে , কত জন মানুষ কে বেনিফিট করতে পারে এটা একটা মিলিয়ন ডলার কোয়েশ্চেন। আপনার  প্রোডাক্টের ইম্প্যাক্ট সমান আপনার বেনিফিট । এটা অনেক বলে থাকেন । এটা কিন্তু সত্যি আমরা যদি একটু খেয়াল করে দেখি তাহলে দেখব যত বড় কম্পানি আছেন সব কোম্পানিই সফল ততটা যতটা তারা মানুষের জন্য ইম্প্যাক্ট ফেলতে পেরেছেন । কিন্তু আপনি আবার পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিতে পারেন যে অনেক কোম্পানির বা অনেক নন প্রফিট অর্গানাইজেশন এর ত অনেক মানুষ চিনে বা অনেক বেশি ইম্প্যাক্ট মানুষের জীবনে । কই তাহলে তারা কেনো বিলিওনার না ? জ্বি এর সুন্দর উত্তর আছে। সব প্রফিটেবল কোম্পানিই ইম্প্যাক্ট ফেলেই কোম্পানি এর ব্যতিক্রম নয়। আপনি অনেক বেশি মানুষ কে সেবা দিতে পারলে অনেক মানুষ এর কাছে আপনি রিচ করতে পারবেন এবং ফলাফল আপনি অনেক মানুষের উপকারে আসতে পারলেন যেটা আপনাকে এবং কোম্পানিকে একটা লাভ জনক জায়গায় নিয়ে যেতে পারবে । সুতরাং এটা একটা গুরুত্ত্বপূর্ণ প্রশ্ন ।

 

 

৪। এটা কি এক্সিসটিং ওয়ার্ক ফ্লোকে আরো বেশি উদ্ভাবিত, উন্নত এবং যোগ্য করে তুলবেঃ পুরো একশত ভাগ কাজ যুক্ত ওয়ার্ক ফ্লো তৈরী করা একটা বিরল কম্বিনেশন । সুতরাং আপনার বেশি সময় ফোকাস করা উচিত আরো কিভাবে আপান প্রোডাক্ট কে উন্নত , ইনোভেটিং, কমপ্লিমেন্টিং করা যায় সেদিকে।

 

ইনোভেটিং একটা ট্রিকিয়েস্ট পার্ট । আপনি যদি আপনার কারেন্ট সলিউশন এর ইম্প্রুভ করেন তাহলে আপনার  প্রোডাক্ট মেট্রিক্স থাকবে কাস্টমার স্যাটিসফেকশন এর দিকে এবং টুলস উন্নত করন মেট্রিক্স কমবে। আবার যদি আপনি কমপ্লিমেন্টিং  করেন তাহলে আপানার ওয়ার্ক ফ্লো কে আরো বেশি বেগবান করবে যেটা যেকোন পরিবেশে আপনাকে কাজ করতে সাহায্য করবে ।

৫। আপানার সিদ্ধান্ত কি ব্যবসার গ্রোথ বৃদ্ধি করবেঃ আপনাকে একটা বিষয় মানতেই হবে , প্রত্যেকে তার ব্যবসার গ্রোথ কিভাবে আরো বৃদ্ধি করতে পারে সে দিকটাতেই বেশি গুরুত্ত্ব দিয়ে থাকে । আপনি দেখবেন সফট ওয়্যার কোম্পানি সব সময় তাদের কাস্টমারের প্রয়োজন এবং কিভাবে তাদের কাস্টমারদের প্রয়োজন খুব সহজেই সামাল দিতে পারে সেই ব্যবস্থা করে থাকেন । তার মানে দাঁড়ায় আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে সবে কয়েকটি বিষয় কে ফোকাস করে । এটি কাস্টমারদের ব্যবসা কে কিভাবে উন্নত করবে  , আদোও করবে কিনা , করলেও সেটা আউটপুট কেমন হতে পারে সেদিকে নিজর রাখা বুদ্ধিমানের কাজ । সুতরাং নিজেকে এই প্রশ্ন করুন আমার এই ফিচার কিভাবে আরেকজনের ব্যবসার গ্রোথকে অনেক গুন বাড়িয়ে দিবে । আর সেটা আউট কাম কেমন হতে পারে ।  এর পরে সিদ্ধান্ত নিন আপনি এর ডেভোলপ করতে চান কিনা ।

৬। এটা কী আরো বেশি এনগেজমেন্ট ঘটাতে পারবেঃ এনগেজমেন্ট একটা গুরুত্ত্বপূর্ণ শব্দ যেকোন ব্যবসায় । কারণ আপনার কাস্টমারের এনগেজমেন্ট আপানার কোম্পানির সাথে , আপনার প্রোডাক্টের সাথে সমান আপনার রেভিনিউ । এটা খুবই সিম্পল  ম্যাথ ইকুয়েশন । কাস্টমার আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানে , এর নানান দিক সম্পর্কে জানে, কোম্পানি সম্পর্কে  এর অর্থ আপনার সম্পর্কে , কোম্পানি সম্পর্কে একটা ভালো আইডিয়া তার আছে, আর তখন আপনার কোম্পানির প্রোডাক্ট বিক্রির সম্ভাবনা বহুগুন বেড়ে যায় । সুতরাং এই গুরুত্ত্বপূর্ন এবং ইম্প্যাক্ট ফেলার মত প্রশ্ন টা আপানি নিজেকে করুন যে আসলে আপনি যে প্রোডাক্টের ডেভেলপম্যান্ট এর জন্য কাজ করছেন সেটা আসলে কাস্টমার দের সাথে আপনার কোম্পানির এনগেজমেন্ট কত টুকু বাড়াবে । যদি আপনি সঠিক উত্তর পেয়ে যান তাহলে ওয়েলকাম এগিয়ে যান ।

৭। যদি এটা সফল হয় তাহলে আমরা কি সমর্থন এবং ঝুকি নিতে পারবঃ  কোন শিপিং এর পূর্বে “কুইক সাকসেস, ইজি হ্যাক” একটা ফ্যালাসি যেটা  একটা মূল্যায়িত প্রচেষ্টা । সাফল্যই শেষ কথা না । একটা প্রজেক্ট যখন আপনি হাতে নিচ্ছেন এবং এর সফলতার পর কিছু ভিশন থাকাও জরুরী । কারণ এর পরেও অনেক চ্যালেঞ্জ আছে যেগুলো চাইলেই আপনি বা আমি এড়াতে পারব না । আপনার প্রজেক্ট সম্পন্ন হওয়ার পরেও আরো কিছু কাজ থেকে যায় , সুতরাং সেটা কে মাথায় রেখে এর পরে আপনার স্ট্রেটেজি কি হবে , আপনি কি এগোতে পারবেন সেই স্ট্র্যাটেজিকে সামনে রেখে ? সমর্থ হবেন অথবা যেই চ্যালেঞ্জ এসে দাঁড়াবে সেখানে যে ঝুকি নেয়ার বিষোয় আছে সেটাকে বহন করতে পারবেন ? কেউ আপনাকে জাভাস্ক্রিপ্ট এর বুকমার্কলেট দেখিয়ে সারপ্রাইজ দিতে পারে  অথবা একজন আপানার  জন্য একটা উইন্ডোজ অ্যাপ বানিয়ে আনতে পারে অনেক কম কস্টে এবং রেকর্ড সময় নিয়ে কারণ প্রচেষ্টা অনেক মিনিমাম রেটের ছিল আর আইডিয়া টা ও ভালো ।সুতরাং শপিং করা যেতে পারে , সুতরাং সাকসেস।

এবং তারপরে যা হল , আপানার কাস্টমারদের কাছে থেকে সাপোর্ট রিকোয়েস্ট আসতে থাকল এবং আপনি জানেন না কি করবেন , আর আপনার পুরো টিম এর কেউ এক্স,এ,এম,এল এর সম্পর্কে কোন ধারণা রাখেন না । এটা একটা বড় ধরনের ধাক্কা । আপনার কাস্টমার একদিকে ক্ষোভে জ্বলছে অন্যদিকে অপেক্ষা করছে । আর এইদিকে আপনি চিন্তায় মগ্ন আপনি কি করবেন । সাফল্যই শেষ কথা নয় এখন মনে হতে লাগল ।

কিন্তু একটা কথা গুগল ইঞ্জিনিয়াররা বলেন এটাই শেষ কথা না , আপনি জানেন না আপনার সামনে পরবর্তীতে কোন সমস্যা এসে দাঁড়াবে । আর আমরা কিছু জানি না ,শুধু সমস্যা এসে আমাদের বগল দাবা করে আমরা এর থেকে পরিত্রান পাওয়ার আশায় সব সময় প্রস্তুত থাকি যে সমস্যা এসে দাড়াবে সেটা নিয়ে যুদ্ধে নামি  যাই সমাধান করে ফিরি । হুম সেটাও সত্যি কথা শেষ সমাধান বলে কিছু নাই । কিন্তু আপনি আগে থেকে সেই প্রস্তুতিটা নিয়ে রাখা ভালো যাতে যাই আসুক মোকাবিলা করতে পারেন ।

অন্য একটা ব্যাপারে যথেষ্ট আইডিয়া রাখা জরুরী সেটা হল ইন্সেভটিভ । কারণ সব সময় না হলে অনেক কঠিন মূহুর্তে এটা একটা বিশাল হেল্পফুল মাধ্যম । সুতরাং এই ব্যাপারটাকে মাথায় রাখা  জরুরী । আপনার যদি সি এম এস এর প্রোডাক্ট  থাকে তাহলে ফ্রি হোমপেজ সুবিধাটি আপনাকে আরো বেশি মানুষকে  সাইন আপ করাতে সমর্থ হবে ।  এই স্ট্রাটেজিকে অনেক আগেই বুজতেই হবে কারন পরে দেরি হয়ে গেলে আর কাজে দিবে না । সুতরাং যখন আপনি বুঝবেন আপনার আরো কাস্টমারের প্রয়োজন আছে আপনি আরো বেশি মানুষকে  আপানার কোম্পানি বা প্রোডাক্টের জন্য গ্রহণযোগ্য মনে করছেন এবং তাদের অন্তর্ভুক্ত করা জরুরী তখন আর দেরি না করে সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন কি করতে পারেন । কারন যত দ্রুত  আপনি সিদ্ধান্ত নিবেন ততোই ভালো । কাস্টমারদের প্রথমেই অন্তর্ভুক্ত  করতে পারলে দেখা যাবে পরে আর আপনাকে বেশি কষ্ট করতে হচ্ছে  না । তাই দেরি না করে প্রথম দিকেই এই স্ট্রাটেজিকে ফলো  করতে পারেন ।

৮। আমরা কি এমন করে ডিজাইন করতে পারি যেখানে আমাদের প্রচেষ্টার চেয়ে রিওয়ার্ড বেশি হবেঃ আমার এক বন্ধু   বলেছিলো কোন ডীজাইন ফিচার এর বেনেফিটেড হল আমি যতটুকু এফোর্ট দিয়েছি তার চেয়ে যদি বেশি গুন ফিরে পাই তাহলেই সেটা হবে রিওয়ার্ড । ঠিকই বলেছে। শেষ দিকের গুগল প্লাস ব্যবহারকারীরা বুঝতে পারছেন যে আসলেই তারা কতটুকু বেনিফিটেড । কিন্তু প্রতিনিয়ত আপনার কন্টাকের ব্যাপার গুলো যদি রেগুলার বেসিস এ শিপিং করেন বা ড্রপ করেন তাহলে সেটা অন্য কথা । আমি মনে  করি চেক স্প্লিটিং অ্যাপস গুলো সাধারন ভাবে এই ক্যাটেগরির মধ্যে পড়ে ।  অনেক সময় দেখা যায় স্প্লিটিং অ্যাপ গুলো একটা পেইন দেয় কিন্তু অন্য যে সলিউশন গুলো আছে সেগুলো আরো বেশি কস্টলি । একটি বিষয় আমাদের মনে রাখতে হবে আমরা যেই সমতা তে বসবাস করছি সেই সময়ে শুধুমাত্র অর্থনৈতিক কস্টই কিন্তু সব কিছু নয় বরং আমাদের সময়  নিয়ে ভাবতে হবে ,ভাবতে হবে সামাজিক  ক্যাপিটাল নিয়ে ।  প্রোডাক্ট ডীজাইন হচ্ছে একটা কস্ট বেনিফিট অ্যানালাইসিস। যেখানে কতটা কঠিন একটা কাজ করা আর কতটা ইউজফুল সেই প্রচেষ্টাটা । আমি এখানে এভাবেই বর্ননা করেছি।

এটা বেশি গুরুত্বপুর্ণ  যে আপনি কোন কোয়ার্ডনে কাজটা করছেন আপনি যদি বেশি বুদ্ধিমান হন তাহলে আপনি নিজেই আপনার  স্টিয়ারিং এ হাত রেখে চলবেন অথবা পথ বের করে নিবেন ।

৯। আমার কি আরো ভালো করে করতে পারিঃ  প্রত্যেক প্রোডাক্ট এর খারাপ দিক থাকে বরং  দেখা যায় এর জন্যই প্রোডাক্ট  ম্যানেজারদের অনেক সময় হার স্বীকার করতে হয় । আর পরাজয় স্বীকার করার মানে হচ্ছে সেটা  বা সেই ফিচারকে রিমুভ করা । রিমুভ করতে গিয়ে দেখা যায় এটা শুধুমাত্র একটা প্রোডাক্টের অনেক গুলো বিষয় কে রিমুভ করা না বরং অনেক শ্রম , কনফিউশান , প্রচেষ্টা কেও ডুবিয়ে দেয়া ।

সমস্যা টা অনেক  সময় দেখা দেয় কারণ হিসেবে  দেখা যায় যখন একটা প্রোডাক্ট  টীম এর টিম মেম্বার রা  খুব ভালো করে কাজটা কে বুঝেন না অথবা যেই অংশটিকে বুঝেন নি সেটা কে নিয়ে ভালো করে কাজ না করা । এমন সময় যেটা হয় তারা নিজের ডীজাইনের বাইরে গিয়েও কাজ শুরু করে দেন । ফলশ্রুতিতে যা লক্ষ্য করা যায় সেটা হল নতুন প্রোডাক্ট বা নতুন করে আবার ফিচার ডেভলপ করা । সুতরাং শুরুতেই যদি টিম মেম্বাররা এই বিষয়টা কে বেশি করে গুরুত্ত্ব দিতে পারেন তাহলে সেটা অনেক বেশি ভালো ফল বয়ে আনবে ।

তারা যেই ভুল  গুলো ডিজাইনিং প্রসেসিং  এ করে থাকেন সাধারনত  যদি কিছু উদাহরন দেই  তাহলে একটু পরিষ্কার  হবে ।

*যারা ক্যালেন্ডার মেনেজ করতে পারবেন না তারা ক্যালেন্ডার এর ফিচার রাখেন

*যারা টাইম ট্রাকিং এর ব্যাপারটাকে মেনেজ করতে পারেন না তারা টাইম ট্রাকিং এর ব্যাপারটাকে নিয়ে আসেন

* আবার অনেক সময় দেখা যায় অনেক ডিজাইনাররা ইস্যু ফিক্স করতে পারেন না , তিনি আবার ইস্যু ট্রাকিং সিস্টেম রাখেন ।

 

উপরের উল্লেখিত কোন ফিচার কিন্তু নেগেটিভ না কিন্তু যেটা তে সমস্যা সেটা হল কিভাবে সেগুলো কে মেনেজ করা হচ্ছে। সুতরাং যেটা বলা যায় , কোন প্রোডাক্টের ডিজাইন এবং এর সব চেয়ে ভালো ব্যাপারটিকে অনুধাবন করতে চাই এই প্রডাক্ট সম্পর্কে খুব ভালো অন্তর্নিহিত ধারনা এবং খুব সুক্ষ আন্ডার স্টান্ডিং ।

 

একটা কথা আছে যদি আপনি খুব ভালো করে কোন কাজ না করতে পারেন তাহলে আপনি কখনোই একটা কাজের খুব ভালো ফলাফল আশা করতে পারেন না ।